১৭ ফেব্রুয়ারি দুবাইয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচে পাকিস্তান ‘এ’ দলের কাছে ৭ উইকেটে হেরেছে বাংলাদেশ। টস জিতে শুরুতে ব্যাট করে ৩৮ ওভার ২ বলে ২০২ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। জবাব দিতে নেমে ১৫ ওভার ১ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌছে যায় পাকিস্তান ‘এ’ দল।
রান তাড়ায় পাকিস্তানকে শুরুটা ভালো করতে দেননি বাংলাদেশের বোলাররা। মেহেদী হাসান মিরাজ এবং নাহিদ রানা পাওয়ারপ্লেতে তুলে নেন পাকিস্তানের দুই উইকেট। পাওয়ারপ্লের পরেও বেশ আঁটসাঁট বোলিং করেছে টাইগাররা। ফলাফলও এসেছে তাতে। শতরান পেরোনোর আগে পাকিস্তানের তৃতীয় উইকেট তুলে নেন তানজিম হাসান সাকিব।
শুরুতে উইকেট তুলে নিয়ে পাকিস্তানকে চাপে ফেললেও সেটা বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। চতুর্থ উইকেটে বড় জুটি গড়ে দলকে জয় এনে দেন ‘এ’ দলের অধিনায়ক মোহাম্মদ হারিস এবং মুবাশ্বির খান। ৭৬ রান করে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়েন হারিস। মুবাশ্বির অপরাজিত থাকেন ৬৩ রানে।
এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশের কয়েকজন ব্যাটার ভালো শুরু পেলেও সেটা কাজে লাগাতে পারেননি। সর্বোচ্চ ৪৪ রান করেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৫ রান এসেছে সৌম্য সরকারের ব্যাট থেকে।
বিপিএলের সর্বশেষ আসরে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা তানজিদ তামিম আজ ৬ রানের বেশি করতে পারেননি। ইনিংসের প্রথম ২ বলে ৬ রান তোলা এই ব্যাটার ফেরেন প্রথম ওভারের তৃতীয় বলে। মুবাশ্বির খানকে ফিরতি ক্যাচ দেওয়ার আগে শান্তর ব্যাট থেকে এসেছে ১২ রান। তিনে নেমে সুবিধা করতে পারেননি শান্ত। তামিমের পথেই হেটেছেন অধিনায়ক।
টপ অর্ডারে তামিম-শান্ত তেমন রানের দেখা না পেলেও ভালো শুরু পেয়েছিলেন সৌম্য সরকার। তবে ইনিংস বড় করতে না পারার সমস্যাটাই আরও একবার পোড়ালো তাকে। ৪ চারে ৩৫ রান করে রান আউট হয়ে ফেরেন তিনি।
সৌম্যের বিদায়ের পর দলের হাল ধরেন মেহেদি হাসান মিরাজ। চতুর্থ উইকেটে তাওহীদ হৃদয়ের সঙ্গে গড়েন ৫৬ রানের জুটি। ব্যক্তিগত ১৯ রান করে হৃদয় বিদায় নিলে ভাঙে এই জুটি। অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম হাল ধরতে পারেননি দলের। দলীয় ১৩১ রানে তার বিদায়ের পর ভেঙে পড়ে মিডল অর্ডার।
৪৪ রান করা মিরাজকে উসামা যখন আউট করেন, তখন বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৩২ রান। ৫ রানের ব্যবধানে এরপর জাকের আলী ফিরলে বাংলাদেশের দেড়শ রানের মধ্যে গুটিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা যায়। তবে শেষদিকে তানজিম সাকিবের ২৭ বলে ৩০ এবং নাসুম আহমেদের ১৬ বলে ১৫ রানে ভর করে কোনোমতে ২০০ রান পেরোয় টাইগাররা।
পাকিস্তান শাহিনসের হয়ে ৪ উইকেট নিয়েছেন উসামা মীর। দুটি উইকেট নিয়েছেন মুবাশ্বির খান।
Leave a Reply