Home / স্বাস্হ্য ও চিকিৎসা / করোনা ভাইরাসের প্রধান ৭ লক্ষণ কি কি জেনে নিন

করোনা ভাইরাসের প্রধান ৭ লক্ষণ কি কি জেনে নিন

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিনই বাড়ছে লাশের সারি। এরই মধ্যে গোটা বিশ্বে এ প্রাণঘাতী ভাইরাসে মৃত্যুর সংখ্যা ৮২ হাজার ছাড়িয়েছে।The Main symptoms of Corona Virus

এখন পর্যন্ত এই ভাইরাসের কোনো প্রতিষেধক বা টিকা আবিষ্কার না হওয়ায় এই ভাইরাস প্রতিরোধে এর লক্ষণ ও প্রতিকার জানা প্রয়োজন।

ভাইরাসটি শরীরে প্রবেশের ৫ থেকে ১৪ দিন পর্যন্ত কোনো ধরনের লক্ষণ প্রকাশ করে না। প্রথমে শুরু হয় জ্বর, কাশিসহ নানা উপসর্গ বা লক্ষণ। আসুন জেনে নিই করোনাভাইরাসের প্রধান ৭ লক্ষণ-

শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা

করোনা আক্রান্তদের ক্ষেত্রে প্রধান লক্ষণ হলো শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা। যাকে আমরা শ্বাসকষ্ট হিসেবে জানি। কাশি ছাড়াই এই সমস্যাটি দেখা দেবে। মনে হবে বুকের ভেতরে আটকে আছে এবং ফুসফুসে পর্যাপ্ত বাতাস পৌঁছাচ্ছে না।

জ্বর ও শুষ্ক কাশি

করোনাভাইরাসে আক্রান্তের ক্ষেত্রে প্রথম লক্ষণ হলো জ্বর আসা। প্রিভেন্টিভ মেডিসিনের প্রফেসর ও ভ্যান্ডারবিল্ট ইউনিভার্সিটি স্কুল অব মেডিসিনের ইনফেকশাস ডিজিজ এক্সপার্ট ড. উইলিয়াম শ্যাফনার জানান, জ্বর মাপার ক্ষেত্রে বিকাল ও সন্ধ্যার আগে জ্বর মাপা সবচেয়ে সঠিক। এ ছাড়া সঙ্গে শুষ্ক কাশিও থাকতে পারে।

মাথাব্যথা, গলাব্যথা ও নাক বন্ধ

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যানুসারে ছয় হাজার রোগীর মাঝে অন্তত ১৪ শতাংশের ক্ষেত্রে চীনে করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের মাঝে মাথা ও গলাব্যথার সমস্যা এবং ৫ শতাংশ ক্ষেত্রে নাক বন্ধের সমস্যা দেখা গেছে। তবে এই লক্ষণ খুব একটা কমন নয় এবং সাধারণ ফ্লুজনিত সমস্যাতেও দেখা দিতে পারে।

ঠাণ্ডাভাব ও হাড়ে ব্যথা

রাতের বেলায় ঠাণ্ডাভাব দেখা দেবে ও একই সঙ্গে বাড়বে হাড়ে ব্যথাভাব। সেই সঙ্গে জ্বরও বেড়ে যাবে তুলনামূলকভাবে বেশি। ঠাণ্ডা লাগার সমস্যা এত বেশি দেখা দেয় যে কাঁপুনি শুরু হয়।

পরিপাক্বজনিত সমস্যা

প্রথম অবস্থায় ডায়রিয়ার সমস্যাটিকে করোনাভাইরাসের লক্ষণ হিসেবে ধরা হয়। ভাইরাসটি নিয়ে বহু পরীক্ষায় দেখা গেছে পেটের সমস্যাটিও এর মাঝে অন্তর্ভুক্ত।

গন্ধ ও স্বাদ না পাওয়া

এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে স্বাদ ও গন্ধ পাওয়ার ক্ষমতা লোপ পায়। গন্ধ ও স্বাদ না পাওয়ার সমস্যাটিকে বলা হয় অ্যানোজমিয়া (Anosmia).

অবসন্নতা

নভেল করোনাভাইরাসের ক্ষেত্রে প্রচণ্ড মাত্রায় অবসন্নভাবকে প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে ধরা হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা দেখেছে, ৬ হাজার জনের মাঝে অন্তত ৪০ শতাংশের ক্ষেত্রে নিশ্চিত করেছে যে, এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর তারা অবসন্নতা অনুভব করেছে।

কী করবেন?

খুব বেশি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হওয়া যাবে না। বাইরে গেলে মাস্ক ব্যবহার করুন। আর হাত জীবাণুমুক্ত রাখতে সাবান দিয়ে কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড সময় নিয়ে হাত ধুয়ে ফেলুন।

About admin

Check Also

ডেঙ্গু প্রতিরোধে ড. সাকলায়েন রাসেলের ১৩ পরামর্শ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে ড. সাকলায়েন রাসেলের ১৩ পরামর্শ

প্রকোপ যখন বেড়েই চলেছে ঠিক তখনই এই পরিস্থিতি থেকে বাঁচতে ১৩টি প্রস্তাব দিয়েছেন ডা.সাকলায়েন রাসেল। …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *