Home / শিক্ষা / প্রাথমিকে শিক্ষক পদে ৫৭ হাজার প্রার্থীর প্যানেলে নিয়োগ

প্রাথমিকে শিক্ষক পদে ৫৭ হাজার প্রার্থীর প্যানেলে নিয়োগ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক পদে ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত দুটি নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৫৬ হাজার ৯৩৬ প্রার্থী গত এক বছর ধরে প্যানেল শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের দাবি করে আসছেন। তাদের অনেকের চাকরির বয়স পেরিয়ে গেছে। তবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, আর কোনো প্যানেল করা হবে না। নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।School will be closed since Eid

২০১৪ সালে স্থগিতের পর ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ১৯ হাজার ৭৮৮ জন এবং ২০১৮ সালে নিয়মিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৩৭ হাজার ১৪৮ জন প্যানেলভুক্তির দাবি জানিয়ে আসছেন।

জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন বলেন, ‘আমরা নতুন করে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেবো। ২৬ হাজারের বেশি শূন্য পদ রয়েছে। আমি মহাপরিচালককে বিজ্ঞপ্তি প্রস্তুত করতে বলেছি। কোনও প্যানেল হবে না। প্যানেল করার সুযোগ নেই।’

আগে উত্তীর্ণদের প্যানেল করা হতো, এখন কেন হবে না জানতে চাইলে সচিব বলেন, ‘২০১৪ সালের আগের যাদের প্যানেল করা হয়েছিল, তাদের মামলা শেষ হওয়ার পর সবাইকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এখন নতুন করে নিয়োগ দেওয়া হবে।’

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দিলে নিয়োগের অপেক্ষায় থাকা ২০১০ ও ২০১১ সালের পুল ও প্যানেলভুক্ত প্রার্থীরা তাদের নিয়োগ নিশ্চিত করার দাবিতে উচ্চ আদালতে ৪৯০টি রিট আবেদন করেন। প্যানেলভুক্ত ছিলেন ৪২ হাজার ৬১১ জন উত্তীর্ণ প্রার্থী। আবেদনে পুল ও প্যানেলভুক্ত নিয়োগের অপেক্ষায় থাকাদের নিয়োগ নিশ্চিত না করে কেন নতুন করে দেওয়া বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে তা জানতে চাওয়া হয়।

রিট আবেদনের পর ২০১৪ সালের নিয়োগ স্থগিত করে মন্ত্রণালয়। রিট আবেদন শেষ হতে চার বছর সময় লাগে। চার বছর পর ২০১৮ সালে রিট নিষ্পত্তি হলে আবেদন করা প্রার্থীদের পরীক্ষা নেওয়া হয়। ওই পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন ১৩ লাখ। শেষ পর্যন্ত মোট উত্তীর্ণ হন ২৯ হাজার ৫৫৫ প্রার্থী। নিয়োগ দেওয়া হয় ৯ হাজার ৭৬৭ জনকে। উত্তীর্ণ ১৯ হাজার ৭৮৮ জন প্যানেলভুক্ত হওয়ার অপেক্ষায় থাকেন।

একই বছর (২০১৮ সাল) আবার শিক্ষক নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। নিয়মিত ওই বিজ্ঞপ্তির বিপরীতে আবেদন করেন ১৮ লাখ ৮৬ হাজার ৯২৭ জন। পরীক্ষায় মোট উত্তীর্ণ হন ৫৫ হাজার ২৯৫ জন। নিয়োগ দেওয়া হয় ১৮ হাজার ১৪৭ জনকে। উত্তীর্ণ ৩৭ হাজার ১৪৮ জন পুল বা প্যানেলভুক্তির অপেক্ষায় রয়েছেন।

About admin

Check Also

Education News

বেসরকারি শিক্ষকদের উচ্চতর গ্রেডের আবেদনের সময় বাড়ছে

দীর্ঘ পাঁচ বছর অপেক্ষা শেষে শিক্ষকদের উচ্চতর গ্রেড নিয়ে সৃষ্ট জটিলতার নিরসন হচ্ছে। এমপিও নীতিমালা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *